সেদিন

মানস রাউৎ

সেদিন কর্মব্যস্ততার অবসরের একদিন সকালে ময়দান চত্বরে গিয়ে বসলাম এক মস্ত গাছের নিচে মনটা খুব একটা ভালো নেই মনের মধ্যে নানান চিন্তা কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ ও খুব ভালো না । কি হবে আগামীর ভবিষ্যৎ কোন দিকে এগোচ্ছি আমরা কোন দিকে এগোচ্ছে দেশ? কে হবে কান্ডারী? মন সাথে সাথে উত্তর দিল যুব সমাজ।
সত্যি কি যুবসমাজ? আজকের যুব সমাজ কি পারবে এ ডুবন্ত নৌকার পাল শক্ত হাতে ধরতে? পারবে কি সর্বভৌমত্বের কথা মাথায় রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের অবস্থায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ থেকে এ দেশ কে জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন দিতে?
আবার উত্তর পেলাম। এবার উত্তর এলো না। কিন্তু কেন না?
যুব সমাজের সেই শিরদাঁড়া কি ভেঙে গেছে নাকি বিশেষ কিছু ক্ষমতার কাছে তারা ধরাশায়ী? তাই হয়তো চাইলেও ভুল টাকে ভুল ঠিক টাকে ঠিক বলতে পারে না বা হয়ত নিজেদের চারিত্রিক পরিকাঠামো সময় ও সুযোগ অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। যে ছেলেটা জনসভায় মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে ইয়া বড়ো বড়ো ভাষণ দেয় সেই কাঁচা মাংস দেখলেই সুযোগ বুঝে ছোবল মারতে চায়। নাকি এরা নিজেদের নিয়েই একটু বেশি ব্যাস্ত দেশ ও দশের কথা ভাবার সময় এদের নেই। সমাজের প্রতিটা যুবক কি একই রকম? না কখনই না , কিন্তু শয়ে শয়ে নরখাদক যেখানে ঘোরা ফেরা করে সেখানে এক বা দুই জন মানুষ বশ্যতা শিকার ছাড়া কি বা করতে পারে।
আসলে এ সমাজে মানুষ রুপি মানুষ বড্ডো বেশি মানুষ শুধু নাই।
তাহলে উপায় কি ?
উপায় একটাই গোড়ার গলদ সারাতে হবে, ধরতে হবে অঙ্কুর থেকেই আজ যে সন্তান ভূমিষ্ঠ হলো আগামী তে তাকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা কোনো সরকারি চাকুরে বানানোর প্রতিযোগীতায় না নামিয়ে মানুষের মতো মানুষ করার সংকল্প নিতে হবে সু চরিত্র গঠন করতে হবে । তবেই হয়তো আগামী তে এদের হাত ধরেই নতুন সূর্য উঠবে।।

পোষ্টটি কেমন লাগল?

মতামত দিতে আপনাকে অবশ্যই লগিন থাকতে হবে।

গড় মান 5 / 5. মোট মতামত 1

আপনিই প্রথম মতামত দিন।

আপনার ভালো লাগেনি শুনে দুঃখিত!

কিভাবে উন্নতি করা যায়?

কিভাবে আরও উন্নত করা যায়, সে সমন্ধে আপনার মতামত দিন।

মুক্তাঙ্গন

Author: মুক্তাঙ্গন

চিন্তা হোক উন্মুক্ত...

Leave a Reply